ব্যাথা নিরাময়ে বিশস্ত সঙ্গি

কিডনিতে পাথর হলে কি খাওয়া যাবে না: খাবারের তালিকা ও সতর্কতা

কিডনিতে পাথর হলে কি খাওয়া যাবে না

কিডনিতে পাথর হলে কিছু বিশেষ খাবার এড়ানো উচিত, যেমন উচ্চ অক্সালেটযুক্ত খাবার যেমন পালং শাক, চকলেট, এবং বাদাম। বেশি লবণ, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য এবং মাংস খাওয়া কমাতে হবে। সোডা ও ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়ও ক্ষতিকর। দীর্ঘ সময় ধরে অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণও প্রতিকূল। পর্যাপ্ত পরিমাণ জল পান করা গুরুত্বপূর্ণ যাতে কিডনি পরিষ্কার থাকে। স্বাস্থ্যকর এবং সুষম খাবার নির্বাচন করা এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলা উচিত।

কিডনিতে পাথর হলে কি খাওয়া যাবে না জানুন! এই লেখায় খাবারের তালিকা ও সতর্কতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, যা আপনার স্বাস্থ্য রক্ষা করবে।

কিডনিতে পাথর হলে কি খাওয়া যাবে না  এমন ১৫ টি খাবারের নাম

কিডনিতে পাথর হলে কি খাওয়া যাবে না

আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, কিডনিতে পাথর হলে খাবারের ওপর সতর্কতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি যখন কিডনির পাথরের সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলাম, তখন ডাক্তার আমাকে কিছু বিশেষ খাবার খাওয়ার জন্য নিষেধ করেছিলেন, যা আমার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ছিল। চলুন দেখি, কিডনিতে পাথর হলে কি খাওয়া যাবে না এবং খাবারের তালিকা ও সতর্কতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করি।

কিডনিতে পাথর হলে কিছু খাবার পরিহার করা উচিত যা এই সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। নিচে ১৫টি খাবারের নাম দেওয়া হল যা কিডনিতে পাথর থাকলে এড়িয়ে যাওয়া ভালো:

১. অতিরিক্ত লবণ: সোডিয়াম বেশি থাকলে শরীরে পানির পরিমাণ বেড়ে গিয়ে কিডনির উপর চাপ ফেলে।

২. অতিরিক্ত প্রোটিন: অতিরিক্ত প্রোটিন, বিশেষ করে মাংস, ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়ায় যা কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে।

৩. অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম: ক্যালসিয়াম অক্সালেট পাথর তৈরিতে সাহায্য করে।

৪. অক্সালেট সমৃদ্ধ খাবার: পালং শাক, বিট, চকলেট, চীনাবাদাম, ইত্যাদি খাবারে অক্সালেট বেশি থাকে।

৫. অতিরিক্ত ভিটামিন সি: অতিরিক্ত ভিটামিন সি সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করলে অক্সালেট তৈরি হতে পারে।

৬. চিনিযুক্ত পানীয়: চিনিযুক্ত পানীয় যেমন সোডা ও ফলের জুস কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

৭. অতিরিক্ত ভিটামিন ডি: বেশি ভিটামিন ডি গ্রহণ করলে শরীরে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ বেড়ে যায়, যা কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে।

৮. রেড মিট: রেড মিট (যেমন গরুর মাংস) বেশি খেলে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যায়।

৯. প্রক্রিয়াজাত খাবার: ফাস্ট ফুড, চিপস, এবং অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত খাবারে প্রচুর পরিমাণে লবণ ও সোডিয়াম থাকে।

১০. মিষ্টি আলু: মিষ্টি আলুতে অক্সালেট থাকে, তাই এটি এড়িয়ে যাওয়া ভালো।

১১. সজনে ডাঁটা: সজনে ডাঁটা ও অন্যান্য সবজিতে অক্সালেট থাকে যা কিডনির জন্য ক্ষতিকর।

১২. কপি ও বাঁধাকপি: এই সবজিতেও অক্সালেট থাকে।

১৩. বাদাম: বাদামে অক্সালেট এবং ফ্যাট বেশি থাকে।

১৪. শুকনো ফল: শুকনো ফল যেমন খেজুর, কিসমিস এগুলোতে অক্সালেট থাকে।

১৫. চা ও কফি: অতিরিক্ত চা ও কফি পান করলে ডিহাইড্রেশন হতে পারে যা কিডনির জন্য ক্ষতিকর।

কিডনিতে প্রভাব পড়া খাবার পদার্থ

কিডনিতে পাথর হলে কিছু নির্দিষ্ট খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকাটা জরুরি। এর মধ্যে রয়েছে অল্প পানিশূন্য খাবার, বিশেষ করে অক্সালেট সমৃদ্ধ খাবার। অক্সালেট পদার্থ শরীরে ক্যালসিয়াম সংযোগিত হয়ে কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে। প্রচুর পরিমাণে সেলফিশ, চকলেট, কিছু ধরণের বাদাম এবং চা অক্সালেট সমৃদ্ধ খাবার। কিডনিতে পাথর হলে এই ধরনের খাবার খাওয়া উচিত নয়। এখন আমিষ ও সম্পূর্ণ শাকসবজি জাতীয় খাবারও কিডনির পাথর সমস্যা বাড়াতে পারে।

অক্সালেট সমৃদ্ধ খাবার

  • সবুজ শাকসবজি (যেমন পালং শাক)
  • চকলেট এবং কোকো
  • বাদাম (যেমন পাইন বাদাম)
  • কিছু ফল (যেমন টমেটো এবং কৃষ্ণবিগ্রহ)

সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবার

কিডনিতে পাথর হওয়ার ফলে সোডিয়ামের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা খুবই প্রয়োজন। সোডিয়াম খাদ্য থেকে বাড়ানো গেলে কিডনীতে চাপ পড়তে পারে। অতিরিক্ত সোডিয়াম কিডনির পাথর তৈরি করতে সহায়তা করে। সোডিয়ামসমৃদ্ধ খাবারে সাধারণত আসছে খাবার ভাজা, সস, বিভিন্ন লবণ ও সুচিপত্র।

সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবার বিরত থাকার কারণ

ভাজা খাবারসোডিয়ামের পরিমাণ অত্যধিক
সসসোডিয়াম আধিক্যের জন্য
চর্বিযুক্ত চর্বিযুক্ত খাবার

প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারের প্রভাব

বিভিন্ন প্রকারের প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যেমন মাংস, ডিম এবং মাছ কিডনিতে পাথর হতে পারে যদি এগুলো অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া হয়। 특히, রেড মিটের খাওয়া কম করা উচিত। এই ধরনের খাবার শরীরে ইউরিক অ্যাসিড তৈরি করে, যা কিডনিতে পাথর তৈরি করতে সাহায্য করে। যা কিডনির জন্য ক্ষতিকর। আমি যখন কিডনির পাথরের সমস্যা অনুভব করেছিলাম, তখন ডাক্তার আমাকে উচ্চ প্রোটিন খাদ্য সংকোচন করতে বলেছিলেন।

ব্যাখ্যা

  • ডিম: পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি
  • মাংস: লাল মাংস কম খাওয়া উপকারী
  • মাছ: শুধুমাত্র সীমিত পরিমাণে

শর্করা ও চিনি

কিডনিতে পাথর হলে শর্করা এবং চিনির পরিমাণ কমানো উচিত। চিনিযুক্ত পানীয় এবং অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার খেলে শরীরে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে এবং কিডনির পাথরের সমস্যা বাড়তে পারে। কিডনির জন্য নিরাপদ খাদ্য হ’ল চিনি মুক্ত সন্তুষ্টিকর বিকল্প। যতটা সম্ভব প্রাকৃতিক শর্করা বা ফ্রুকটোজ জাতীয় খাবার গ্রহণ করা উত্তম। আমি নিশ্চিতভাবে বলব যে, এই বিষয়ে আমার অষ্টমাঞ্চল রেজিমেনের অংশ হিসেবে চিনির পরিমাণ লক্ষ্য করে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হয়েছিলাম।

দুধ ও দুগ্ধপণ্য

দুধ এবং অন্যান্য দুগ্ধ পণ্য কিডনির পাথরের ক্ষেত্রে বিপদ সৃষ্টি করতে পারে। দুগ্ধজাত খাবারের মধ্যে উচ্চ পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে, যা কিডনিতে পাথর তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে, কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে, মাঝারি পরিমাণে দুগ্ধপণ্য স্বাস্থ্যকর। তাই, কিডনিতে পাথর হলে আমি দুধ সরাসরি খাবার থেকে বাদ দিয়েছিলাম।

দুগ্ধপণ্যের তালিকা

  • দুধ
  • দই
  • চিজ

গ্যাস্ট্রিক ও অযোগ্য খাদ্য

স্যাল্টেড ও স্পাইসি খাবার কিডনির জন্য কিছুটা বিপজ্জনক। তারা কিডনির পাথর তৈরি করার জন্য প্রচুর চাপ তৈরি করে। অতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিক তো সম্ভব ঝুঁকি। ফলে কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে দেখা যায়। এ সকল কারণে, গ্যাস্ট্রিক এবং স্পাইসি খাবার কিডনিতে পাথর ঘটনার সম্পর্কিত।

গ্যাস্ট্রিক ও স্পাইসি খাবারকিডনির জন্য ক্ষতিকর
মশলাদার রান্নাঅস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে
স্যাল্টেড স্ন্যাকসকিডনির উপর চাপ

মদ ও ক্যাফেইন

মদ এবং ক্যাফেইনও কিডনিতে পাথর হওয়ার জন্য একটি বড় কারণ। এটি শরীরের মধ্যে পানির ভারসাম্য হ্রাস করে এবং কিডনির কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়। দীর্ঘমেয়াদীভাবে মদ এবং ক্যাফেইন গ্রহণ কিডনির স্বাস্থ্যকে বিপদের মধ্যে ফেলতে পারে। আমি নিজেও এই বিষয়ে সতর্ক ছিলাম এবং আলাদাভাবে ব্যবহার করতে দূরে থাকি।

দূরে থাকার জন্য খাদ্য পদার্থ

  • মদ
  • কফি
  • শক্তিশালী চা

(FAQ)

কিডনিতে পাথর হলে কি ধরনের খাবার খাওয়া উচিত?
কিডনিতে পাথর হলে কোন খাবার এড়ানো উচিত?
কিডনির পাথর সহ অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যায় কি খাবার খাওয়া উচিত?
কিডনিতে পাথর হলে কোন খাদ্য উপাদান বেশি গ্রহণ করতে হবে?

উপসংহার

কিডনিতে পাথর হলে কি খাওয়া যাবে না, সেই বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের খাদ্যাভ্যাসের জন্য কিছু খাবার বাদ দেওয়া উচিত, যেমন লবণ, পালং শাক, এবং অতিরিক্ত প্রোটিন। উচিৎ ওজন বজায় রাখাও জরুরি, কারণ তা কিডনির ওপর চাপ কমায়। যখন আপনি জানবেন কিডনিতে পাথর হলে কি খাওয়া যাবে না, তখন আপনি সচেতনভাবে খাদ্য নির্বাচন করতে পারবেন।

সব সময় পর্যাপ্ত পানি পান করুন এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করুন। তাই, সতর্কতা অবলম্বন করে চললে কিডনিতে পাথর হলে কি খাওয়া যাবে না তা মেনে চলা সহজ হবে, এবং আপনার স্বাস্থ্য রক্ষা পাবে।

Share this article
Shareable URL
Prev Post

গর্ভাবস্থায় লেবু খাওয়া যাবে কি?  ১০ টি উপকারিতা ও পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

Next Post

ভিটামিন ডি যুক্ত খাবারের তালিকা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Read next