ব্যাথা নিরাময়ে বিশস্ত সঙ্গি

ঘাড়ের রগ ব্যথা হলে করণীয়: কারণ,লক্ষণ ও ঘরোয়া চিকিৎসা

ঘাড়ের রগ ব্যথা হলে করণীয়

ঘাড়ের রগে ব্যথা হলে বিশ্রাম নিন, বরফ/গরম সেঁক দিন, তাখফি স্ট্রেস রিলিফ অয়েল  মালিশ করুন । ব্যথা কমলে হালকা ব্যায়াম করুন। ব্যথা না কমলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। আগে সতর্ক হলে পরে সমস্যা হয় না।

ঘাড়ে ব্যথা লাগলে কী হয় জানেন? মনে হয় মাথা টেনে কেউ পেছন দিক থেকে জোরে ধরে রেখেছে! একটুও নড়া যায় না। ঘুম আসে না। ভালো লাগে না।আমি নিজেও এই ব্যথায় অনেক রাত ঘুমাতে পারিনি।

আমার বড় ভাই তো শুধু ফোনে স্ক্রল করতে গিয়েই এমন ব্যথায় পড়েছিল—তিন দিন মাথা তুলতে পারেনি!

ঘাড়ের এই রগ ব্যথা এখন খুবই সাধারণ, কিন্তু খুবই কষ্টদায়ক। এই লেখায় আমি বলব:

  • কেন এই ব্যথা হয়
  • ঘাড়ের রগ ব্যথা হলে করণীয় – ঘরে বসেই কী কী করা যায়
  • কী খাবেন
  • কোন ব্যায়াম কাজে দেয়
  • কবে ডাক্তার দেখাবেন

পড়ে শেষ করুন, অনেক উপকার পাবেন।

Table of Contents

কেন ঘাড়ের রগে ব্যথা হয়?

ঘাড়ের রগ ব্যথা হলে করণীয়

ঘাড়ের রগে ব্যথা হয় মূলত অতিরিক্ত চাপ, খারাপ ভঙ্গি, বা হঠাৎ কোনো টান লেগে। এই ব্যথা আজকাল খুব সাধারণ, কারণ আমরা দিনের বড় একটা সময় মোবাইল বা কম্পিউটারে চোখ গুঁজে বসে থাকি।

চলুন সহজ করে বোঝাই:

১. মোবাইল বা ল্যাপটপে ঝুঁকে থাকা

দিনে ৩–৫ ঘণ্টা যদি ফোনে ঝুঁকে থাকেন, ঘাড়ের রগে টান পড়বেই। একে বলে “টেক্সট নেক সিনড্রোম”। যারা দিনে ৪ ঘণ্টার বেশি ফোন ব্যবহার করেন, তাদের ৭০%-এর ঘাড়ে ব্যথা হয়।

২. খারাপ ঘুমের ভঙ্গি

বালিশ বেশি উঁচু হলে ঘাড় বেঁকে যায়। অথবা ঘুমের সময় একদিকে কাত হয়ে থাকলে ঘাড়ের রগে চাপ পড়ে।

৩. স্ট্রেস বা মানসিক চাপ

আপনি যদি অনেক চিন্তা করেন বা মানসিক টেনশনে থাকেন, ঘাড়ের পেশি টাইট হয়ে যায়। তখনও ব্যথা হয়।

৪. ভারী ব্যাগ কাঁধে ঝুলিয়ে চলা

ছাত্র, অফিসগামী মানুষ অনেকেই একদিকে ভারী ব্যাগ ঝুলিয়ে রাখেন। এতে ঘাড়ের এক পাশে বেশি চাপ পড়ে। দিনে দিনে সেটা রগের ব্যথায় রূপ নেয়।

৫. হঠাৎ করে ঘাড় ঘোরানো

হাঁচি দিতে গিয়ে, বা কারো ডাক শুনে হঠাৎ ঘাড় ঘোরাতে গিয়ে অনেক সময় ব্যথা লাগে। এর ফলে মাংসপেশি বা নার্ভে টান পড়ে।

৬. দীর্ঘ সময় এক জায়গায় বসে থাকা

একটানা এক ভঙ্গিতে বসে থাকলে ঘাড়ের রক্ত চলাচল কমে যায়। পেশি শক্ত হয়ে যায়। ব্যথা তৈরি হয়।

৭. আগের আঘাত বা আঘাতজনিত টান

পুরনো কোনো গাড়ি দুর্ঘটনা, পড়ে যাওয়া, বা খেলার সময় আঘাত লাগলে ঘাড়ে ব্যথা থেকে যেতে পারে।

৮. বাত বা স্পন্ডিলোসিস

বয়স বাড়ার সাথে সাথে ঘাড়ের হাড় ক্ষয় হয়। এতে সার্ভাইক্যাল স্পন্ডিলোসিস হয়, যা ঘাড়ের ব্যথার বড় কারণ।

আপনি যদি নিয়মিত মোবাইলে ঝুঁকে থাকেন, খারাপ বালিশ ব্যবহার করেন, বা চাপের মধ্যে থাকেন—তাহলে সাবধান হোন এখনই।
ঘাড়ের রগ টান পড়লে পুরো শরীর কষ্ট পায়। সময় থাকতেই ব্যবস্থা নিন।

ঘাড়ে ব্যথা হলে প্রথমে কী করবেন? ঘাড়ের রগ ব্যথা হলে করণীয়

ঘাড়ের রগ ব্যথা হলে করণীয়

ঘাড়ের রগ ব্যথা অনেক সময় খুব কষ্ট দেয়। মাথা কোনো দিকে সহজে ঘোরাতে না পারা, ঘুমাতে না পারা—সবই হতে পারে। তাই বুঝে নিতে হবে ঠিক কী করবেন।

নিচে ধাপে ধাপে সহজভাবে সব বলছি।

১. ঘাড় না নাড়িয়ে বিশ্রামে রাখুন

যদি ব্যথা হঠাৎ শুরু হয়, সবচেয়ে আগে দরকার বিশ্রাম।
অর্থাৎ—

  • চুপচাপ বসুন বা চিৎ হয়ে শুয়ে পড়ুন
  • ঘাড় না ঘোরান
  • মোবাইল, কম্পিউটার বন্ধ করুন
  • কুশন বা তোয়ালে রোল করে ঘাড়ের নিচে দিন

কেন?
ঘাড় নাড়ালে পেশি আরও টান খায়। তখন ব্যথা বাড়ে।

২. বরফ বা গরম সেঁক দিন – ব্যথার ধরন বুঝে

ব্যথা নতুন হলে— বরফ সেঁক দিন ১০–১৫ মিনিট। ফ্রিজ থেকে বরফ বের করে তোয়ালে দিয়ে ঘাড়ে চেপে ধরুন।

ব্যথা পুরনো হলে অথবা ব্যথা শুরুর ২ দিন পর হতে গরম পানিতে সেঁক দিন। তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে ঘাড়ে লাগান।

৩. হালকা স্ট্রেচিং বা ব্যায়াম করুন

ব্যথা একটু কমলে হালকা ব্যায়াম করুন। মনে রাখবেন—চাপ দিয়ে কিছু করবেন না।

কিছু সহজ ব্যায়াম:

  • মাথা আস্তে আস্তে ডানে-বামে ঘোরান
  • চিবুক ভেতরের দিকে টানুন (chin tuck)
  • কাঁধ ওপর-নিচ করুন
  • কাঁধ ঘোরান ঘড়ির কাঁটার মতো

ব্যায়াম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচে স্ক্রল করুন।

৪. ঘাড়ে হালকা তেল মালিশ

নারকেল তেল বা সরিষার তেল গরম করে ঘাড়ে হালকা করে মালিশ দিন।

সতর্কতা: কখনো জোরে চেপে মালিশ করবেন না। এতে সমস্যা আরও বাড়তে পারে।

৫. ব্যথা বেশি হলে ওষুধ

ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাবেন না। তবে খুব ব্যথা করলে, সাধারণ পেইনকিলার (যেমন প্যারাসিটামল বা ইবুপ্রোফেন) খাওয়া যায়।

কিন্তু মনে রাখুন: ওষুধ শুধু সাময়িক আরাম দেয়, সমস্যা সারায় না।

৬. মোবাইল আর ল্যাপটপ থেকে বিরতি নিন

👉 ফোন নিচু করে ব্যবহার করবেন না
👉 ল্যাপটপ এমনভাবে রাখুন যাতে স্ক্রিন চোখের সমান থাকে
👉 প্রতি ৩০ মিনিট পর ৫ মিনিট ঘাড় সোজা করে বিশ্রাম নিন

৭. ঘাড়ের বালিশ বদলান

অনেক সময় খারাপ বালিশ থেকেই রগে টান পড়ে।

  • খুব উঁচু বা খুব নরম বালিশ নয়
  • মাঝারি, শক্তপোক্ত, ঘাড় সাপোর্ট দেয় এমন বালিশ নিন
  • ঘাড় আর মাথা যেন সমান থাকে

৮. কবে ডাক্তারের কাছে যাবেন?

জেনে নিন কবে ঘরোয়া টিপস বাদ দিয়ে সরাসরি চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে—

  • ব্যথা ৭ দিনের বেশি থাকে
  • হাত বা আঙুল অবশ লাগে
  • ঘাড়ে শক্ত একটা গাঁট টের পান
  • ঘাড় ব্যথার সাথে জ্বর, মাথাব্যথা বা চোখে সমস্যা হয়
  • ব্যথা মাথা থেকে পিঠ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে

এগুলো সিরিয়াস সংকেত। দেরি করবেন না।

ঘাড়ের রগের ব্যথা কমাতে ব্যায়াম 

ঘাড়ের রগ ব্যথা হলে করণীয়

ঘাড়ের রগ ব্যথা হলে করণীয় মধ্যে হালকা ব্যায়াম খুব কাজে দেয় দিনে মাত্র ১০ মিনিট সময় দিলেই অনেক আরাম পাওয়া যায়। তবে শুরুতে ব্যথা বেশি থাকলে ব্যায়াম না করাই ভালো। ব্যথা একটু কমলে এই সহজ ব্যায়ামগুলো করলে দ্রুত উপকার পাবেন।

১. মাথা ডানে-বামে ঘোরানো

কীভাবে করবেন:
– সোজা হয়ে বসুন।
– ধীরে মাথা ডান দিকে ঘোরান।
– ৩ সেকেন্ড ধরে রাখুন।
– এবার বাম দিকে ঘোরান।
– এভাবে ১০ বার করুন।

এটা ঘাড়ের রক্ত চলাচল বাড়ায়।

২. মাথা উপর-নিচ করা

কীভাবে করবেন:
– চিবুক বুকে আনুন, ৫ সেকেন্ড রাখুন।
– এবার মাথা আস্তে পেছনে নিন, ৫ সেকেন্ড রাখুন।
– ১০ বার করুন।

এটা ঘাড়ের পেছনের রগের টান কমায়।

৩. কাঁধ উঁচু-নিচ করা

কীভাবে করবেন:
– কাঁধ উঁচু করুন (যেন কানে লাগছে)।
– ৩ সেকেন্ড রাখুন।
– এবার ছেড়ে দিন।
– দিনে ১৫ বার করুন।

এতে পেশি ঢিলা হয়, চাপ কমে।

৪. কাঁধ ঘোরানো (Shoulder Rolls)

কীভাবে করবেন:
– কাঁধ ঘড়ির কাটার মতো সামনে ঘোরান ৫ বার।
– এবার উল্টা দিকে ৫ বার ঘোরান।
– ধীরে ধীরে করুন।

ঘাড় ও পিঠের শক্ত ভাব কমে যায়।

৫. ঘাড় টানানো (Neck Stretch)

কীভাবে করবেন:
– ডান হাত দিয়ে মাথা ডানদিকে টানুন।
– ১০ সেকেন্ড ধরে রাখুন।
– এবার বাম হাতে বামদিকে টানুন।
– ৫ বার করে করুন।

এটা রগের টান কাটে, ব্যথা কমে।

সতর্কতা:

– ব্যথা থাকলে জোর করে ব্যায়াম করবেন না।
– যেকোনো নতুন ব্যায়াম শুরুর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
– ধীরে, নিয়ম করে করুন।

ব্যায়াম না মানে রক্ত জমে থাকা। আর ব্যায়াম মানেই মুক্তি! আপনি ব্যথা নিয়ে বাঁচবেন, নাকি ১০ মিনিট ব্যায়াম করবেন? সিদ্ধান্ত আপনার! 

ঘাড়ে ব্যথা না হওয়ার জন্য দৈনন্দিন অভ্যাসে যা বদলাবেন

ঘাড়ের রগ ব্যথা হলে করণীয়
  • প্রতিদিন ৫–১০ মিনিট ব্যায়াম করুন
  • খাওয়ার সময় মাথা নিচু করে বসবেন না
  • ফোন চোখের সামনে ধরে ব্যবহার করুন।
  • একটানা বসে কাজ করবেন না। ৩০ মিনিট পর পর হাঁটুন।
  • সোজা হয়ে বসুন, কোমর-ঘাড় সাপোর্ট দিন।
  • ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঘাড়ে হালকা স্ট্রেচ করুন।

তাখফি স্ট্রেস রিলিফ অয়েলের ম্যাসাজ 

ব্যথা নিরসনে বিভিন্ন তেল ব্যবহারের মাধ্যমে ঘাড়ের রগের ব্যথা চিকিৎসা করা যায়। তাখফি স্ট্রেস রিলিফ অয়েল  অর্থাৎ  “ব্যথানাশক তেল” বা “মালিশের তেল” ব্যবহার করলে পেশী শিথিল হয় বাত, ঘাড়ের রগের ব্যথা, কোমর ব্যাথা এবংপা মচকানোর ব্যথা কমে। এটি প্রাকৃতিক উপায়ে ব্যথা কমানোর জন্য কার্যকর। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত এই অয়েলের সাহায্যে দ্রুত ও দীর্ঘস্থায়ী আরাম পাওয়া যায়।

রাতের ঘুমেও থাকে ভুল! ঠিক করুন আজই

  • কাত হয়ে শোবেন না, চিৎ হয়ে শোবেন।
  • মোটা বালিশ ব্যবহার করবেন না।
  • বালিশ এমন হবে যেন ঘাড় সোজা থাকে।

আমি নিজে ঘাড়ে ব্যথা পাওয়ার পর অর্থোপেডিক বালিশ কিনেছি। এখন আর সেই ব্যথা ফেরে না।

অফিসে কাজের সময় ঘাড়ের যত্ন নিন

  • কম্পিউটার স্ক্রিন চোখের সরাসরি সামনে রাখুন।
  • চেয়ার হবে হাই ব্যাক ও আরামদায়ক।
  • টাইপ করার সময় হাত টেবিলের সমান উচ্চতায় রাখুন।
  • দিনে অন্তত একবার ঘাড় ও কাঁধ স্ট্রেচ করুন।

একটা ছোট্ট নোট লিখে ডেস্কে লাগিয়ে রাখুন—“ঘাড়ের রগ ব্যথা হলে করণীয় – ঘাড় সোজা রাখো!”

একটা কথা বলি—“আগে থেকেই সতর্ক থাকলে পরে কষ্ট পেতে হয় না।”

খাদ্য: কী খাবেন, কী বাদ দেবেন ঘাড়ে রগ ব্যথা কমাতে?

যা খাবেন:

  • দুধ, টকদই (ক্যালসিয়াম)
  • ডিমের কুসুম, মাছ (ভিটামিন ডি)
  • বাদাম, ইলিশ, তেলাপিয়া (ওমেগা-৩)
  • কলা, পালং শাক (ম্যাগনেসিয়াম)

যা বাদ দেবেন:

  • ঠান্ডা সফট ড্রিংক
  • ফাস্টফুড
  • অতিরিক্ত লবণ বা ফ্রাই খাবার

আমার এক বান্ধবী বলত, “পিজ্জা খেলেই ব্যথা বাড়ে।” তখন হাসতাম। এখন বুঝি, খাবার সত্যিই প্রভাব ফেলে।

ঘাড়ের রগ ব্যথা হলে করণীয় হিসাবে কিছু ঘরোয়া টিপস—যা বহু পুরনো, কিন্তু এখনো কাজ দেয়

ঘাড়ের রগ ব্যথা হলে করণীয়
  • গরম তেল মালিশ: আগেই বলেছি, নারকেল তেল বা সরিষা তেল গরম করে ঘাড়ে হালকা মালিশ করুন। চাপ দেবেন না।
  • আদা চা: ব্যথা কমায়। দিনে ২ বার পান করুন।
  • হলুদ দুধ: রাতে ঘুমানোর আগে খান। ব্যথা আর ঘুম—দুটোর জন্যেই ভালো।
  • রসুন আর মেথি পেস্ট: একটু গরম করে ব্যথার জায়গায় লাগান। আরাম পাবেন।

শেষ কথা

ঘাড়ের ব্যথা ছোট হলেও কষ্টটা বিশাল। সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে ঘাড়ের সঙ্গে সঙ্গে জীবনটাই বাঁকা হয়ে যায়। তাই নিজেকে ভালোবাসুন, ঘাড়ের যত্ন নিন। নিয়ম মানলে এই যন্ত্রণা আর ফিরে আসবে না। কথাটা মনে রাখুন।

 এই পোস্টটি যদি উপকারে আসে, বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করুন।  হয়তো কেউ এখন এই ব্যথায় ভুগছে আর আপনি তাকে রক্ষা করতে পারবেন। ঘাড়ের রগের ব্যথা থেকে সবাই মুক্তি পাক।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

ঘাড়ের রগ ব্যথা হলে করণীয় সম্পর্কে কিছু সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

ঘাড়ের রগে টান লাগা কি সিরিয়াস কিছু?
ঘাড়ের রগ টানলে কি মাথাব্যথা হতে পারে?
দীর্ঘদিন ধরে ঘাড়ে ব্যথা থাকলে কি স্লিপ ডিস্ক হতে পারে?
কি ধরনের পেশার মানুষদের ঘাড়ে রগের টান বেশি হয়?
ঘাড়ের রগে টান লাগলে এক্স-রে বা MRI দরকার হয়?
 ঘাড়ের রগে বারবার টান লাগা কি অন্য কোনো রোগের লক্ষণ?
Share this article
Shareable URL
Prev Post

কোমর ব্যাথা সারানোর সহজ উপায় | ঘরোয়া চিকিৎসা ও ব্যায়াম করে ব্যাথা মুক্ত হন

Next Post

হাতের মাংসপেশিতে ব্যথা? জানুন কারণ ও ১০টি ঘরোয়া উপায়ে প্রতিকার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *