ব্যাথা নিরাময়ে বিশস্ত সঙ্গি

জানুন ! থাইরয়েড হলে কি কি সমস্যা হয় ও ৮ টি ঘরোয়া সমাধান

থাইরয়েড হলে কি কি সমস্যা হয়

থাইরয়েড হলে কি কি সমস্যা হয়? অকারণেই কি আপনার ওজন ওঠানামা করছে, শরীর সারাক্ষণ ক্লান্ত থাকছে আর মন-মেজাজ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে? এই নীরব শত্রু আপনার চুল পড়া থেকে শুরু করে হৃদস্পন্দন পর্যন্ত সবকিছুকেই প্রভাবিত করতে পারে, যা আপনার চেনা জীবনটাকে মুহূর্তেই অচেনা করে তোলে।

আসুন, এই আর্টিকেলে শুকনো ও ফোলা থাইরয়েডের লক্ষণগুলো বিস্তারিতভাবে চিনে নিই এবং এর পেছনের কারণগুলো সহজভাবে বুঝি। আমরা আলোচনা করব থাইরয়েড কমানোর ঘরোয়া উপায়, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং আধুনিক চিকিৎসা নিয়ে। জানুন, কীভাবে এই অবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করে আবার সুস্থ ও প্রাণবন্ত জীবনে ফিরে আসা সম্ভব। 

থাইরয়েড হলে কি কি সমস্যা হয়

থাইরয়েড হলে আমাদের শরীরে অনেক রকম সমস্যা দেখা দেয়—ওজন, শক্তি, মন-মেজাজ, ঘুম, এমনকি চুল-ত্বকেও পরিবর্তন আসে। এই সমস্যা কখনো বেশি হরমোন (হাইপারথাইরয়েডিজম), কখনো কম হরমোন (হাইপোথাইরয়েডিজম) উৎপাদনের কারণে হয়।

থাইরয়েড হলে যেসব সমস্যা হয়

  • হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া
  • সব সময় ক্লান্তি আর দুর্বল লাগা
  • মন খারাপ বা বিষণ্নতা
  • ঘুমের সমস্যা
  • হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া
  • চুল পড়া, ত্বক শুষ্ক হওয়া
  • কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া
  • গলায় ফোলা (গয়টার), গলায় চাপ অনুভব
  • মাসিক অনিয়মিত বা ভারী হওয়া
  • হাত কাঁপা, অতিরিক্ত ঘাম, ঠান্ডা বেশি লাগা

তথ্যসূত্র:

থাইরয়েড কমানোর ৮ টি ঘরোয়া উপায়

থাইরয়েড কমানোর জন্য ঘরোয়া উপায়গুলো খুবই কার্যকর হতে পারে, যদি নিয়মিত ও সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম, মানসিক চাপ কমানো এবং কিছু প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

থাইরয়েড কমানোর ৮ টি ঘরোয়া উপায় হল-

  • আয়োডিন নিয়ন্ত্রণ: সামুদ্রিক খাবার ও আয়োডিনযুক্ত লবণ পরিমিত মাত্রায় নিন।
  • সয়া পণ্য কম খাওয়া: সয়া দুধ, টফু, সয়া সস এড়িয়ে চলুন।
  • প্রতিদিন হাঁটা বা ব্যায়াম: ৩০ মিনিট হাঁটা বা যোগব্যায়াম করুন।-
  • নারকেল তেল ব্যবহার: রান্নায় নারকেল তেল দিন বা দিনে ১-২ চামচ খান।
  • এলাচ চা পান: এলাচ শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে।
  • মানসিক চাপ কমানো: যোগব্যায়াম ও প্রণায়াম করুন।
  • ভিটামিন বি১২ ও ভিটামিন ডি: ভিটামিন বি১২ ও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া।
  • ধনে বীজ ভেজানো জল খাওয়া: সকালে খালি পেটে পান করুন।

সতর্কতা: এই পদ্ধতিগুলো চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়, নিয়মিত পরীক্ষা ও চিকিৎসা জরুরি।

তথ্যসূত্র:

গলায় থাইরয়েড এর লক্ষণ

থাইরয়েড হলে কি কি সমস্যা হয়

গলায় থাইরয়েডের সমস্যা হলে সাধারণত গলার অংশে ফোলা, ব্যথা, গলায় চাপ বা গলগণ্ডের মতো লক্ষণ দেখা দেয়। এটি শরীরের থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধি বা প্রদাহের কারণে হয়।

  • গলার নিচে ফোলা বা গলগণ্ড দেখা দেয়
  • গলায় চাপ বা গলাব্যথা অনুভব করা
  • গলা ফুলে শ্বাসকষ্ট বা গিলতে কষ্ট হওয়া
  • গলার ব্যথা চোয়ালে ছড়িয়ে পড়া
  • কণ্ঠস্বর পরিবর্তন বা কর্কশ হয়ে যাওয়া
  • গলা ফুলে নিচে ঝুলে যাওয়া বা অস্বাভাবিক আকার ধারণ করা
  • গলা ও ঘাড়ে নোডিউল বা গুটি অনুভূত হওয়া
  • গরম বা ঠান্ডা অনুভূতিতে পরিবর্তন
  • ক্লান্তি, ওজন পরিবর্তন, মানসিক অবসাদ (থাইরয়েডের অন্যান্য লক্ষণ)

যদি এই লক্ষণগুলো দেখা দেয়, দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

তথ্যসূত্র:

শুকনো থাইরয়েড এর লক্ষণ

শুকনো থাইরয়েড মূলত হাইপোথাইরয়েডিজম বা থাইরয়েড হরমোনের অভাবের কারণে হয়, যা শরীরের মেটাবলিজম ধীর করে দেয় এবং নানা শারীরিক ও মানসিক সমস্যার সৃষ্টি করে।

  • অতিরিক্ত ক্লান্তি ও দুর্বলতা
  • শীতকালে ঠান্ডা বেশি লাগা
  • ওজন বৃদ্ধি, যদিও খাওয়া কম থাকে
  • শুষ্ক ও খসখসে ত্বক
  • চুল পড়া ও চুল পাতলা হয়ে যাওয়া
  • কোষ্ঠকাঠিন্য ও হজমের সমস্যা
  • মন খারাপ, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া
  • মাসিক অনিয়ম বা ভারী মাসিক
  • গলা ফুলে যাওয়া বা গলায় চাপ অনুভব
  • শরীর ফোলা, বিশেষ করে মুখ ও পায়ে

এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

থাইরয়েড কি ভালো হয়

থাইরয়েডের সমস্যা পুরোপুরি ‘ভালো’ হয় না, বরং এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী অবস্থা যা নিয়মিত ঔষধ সেবন এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। সঠিক চিকিৎসা ও জীবনযাপন করলে একজন থাইরয়েড রোগী স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন। 

  • দীর্ঘমেয়াদী নিয়ন্ত্রণ: থাইরয়েড হরমোনের স্বল্পতা (হাইপোথাইরয়েডিজম) বা অতিরিক্ত নিঃসরণ (হাইপারথাইরয়েডিজম) সাধারণত আজীবনের জন্য ঔষধ সেবনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। 
  • নিয়মিত পরীক্ষা ও ঔষধের মাত্রা: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করে ঔষধের মাত্রা ঠিক রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 
  • সুষম খাদ্য: আয়োডিনযুক্ত লবণ পরিমিত গ্রহণ করা উচিত, কারণ আয়োডিনের অভাব বা অতিরিক্ত গ্রহণ উভয়ই থাইরয়েড সমস্যা তৈরি করতে পারে। 
  • জীবনযাত্রার পরিবর্তন: সুস্থ জীবনযাপন, যেমন নিয়মিত ব্যায়াম এবং মানসিক চাপ কমানো, থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। 
  • বিশেষ ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার: কিছু ক্ষেত্রে, যেমন থাইরয়েড ফোলা বা টিউমার থাকলে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে। 
  • গর্ভাবস্থায় বিশেষ যত্ন: গর্ভবতী নারীদের থাইরয়েড পরীক্ষা করানো এবং প্রয়োজনে চিকিৎসা নেওয়া জরুরি, কারণ এটি মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। 

তথ্যসূত্র:

থাইরয়েড কমানোর খাবার

থাইরয়েড হলে কি কি সমস্যা হয়

থাইরয়েড কমানোর জন্য সঠিক খাবার খাওয়া খুব জরুরি। আয়োডিন, সেলেনিয়াম, জিঙ্ক এবং ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং প্রদাহ কমায়।

  • আয়োডিনযুক্ত খাবার: সামুদ্রিক মাছ (সালমন, টুনা), সামুদ্রিক শৈবাল, আয়োডিনযুক্ত লবণ, দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য
  • সেলেনিয়াম সমৃদ্ধ: ব্রাজিল বাদাম, ডিম, মাশরুম, সূর্যমুখীর বীজ
  • জিঙ্ক সমৃদ্ধ: মুরগির মাংস, পালং শাক, কাজু বাদাম
  • ভিটামিন ডি: ডিমের কুসুম, গরুর কলিজা, সূর্যালোক
  • ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড: চিয়া বীজ, আখরোট, ফ্ল্যাক্সসিড, সামুদ্রিক মাছ
  • প্রোবায়োটিক: দই, ছানা, ঘোল
  • ফাইবার সমৃদ্ধ: মসুর ডাল, ছোলা, আপেল

সতর্কতা: হাইপারথাইরয়েডিজম থাকলে আয়োডিনযুক্ত খাবার কম খাওয়া উচিত।

তথ্যসূত্র:

থাইরয়েড টেস্ট কি খালি পেটে করতে হয়

থাইরয়েড টেস্ট সাধারণত খালি পেটে করার প্রয়োজন নেই, তবে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে ডাক্তার অন্য কোনো পরীক্ষার সঙ্গে মিলিয়ে খালি পেটে থাকার পরামর্শ দিতে পারেন। তাই আপনার ডাক্তারের নির্দেশনা মেনে চলাই ভালো।

  • অধিকাংশ ক্ষেত্রে থাইরয়েড (TSH) টেস্টের জন্য খালি পেটে থাকার প্রয়োজন হয় না।
  • যদি অন্য কোনো রক্ত পরীক্ষা একসাথে করতে হয়, তখন ডাক্তার খালি পেটে থাকার পরামর্শ দিতে পারেন।
  • ওষুধ গ্রহণের সময় ও অন্যান্য স্বাস্থ্যগত কারণ বিবেচনা করে চিকিৎসক আলাদা নির্দেশ দিতে পারেন।
  • খালি পেটে থাকার প্রয়োজন হলে সাধারণত ৮-১২ ঘণ্টা উপোস থাকতে বলা হয়।
  • পরীক্ষার আগে আপনার ওষুধ, খাবার বা পানীয় সম্পর্কে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলা জরুরি।

তথ্যসূত্র:

থাইরয়েড নরমাল কত পয়েন্ট

থাইরয়েডের স্বাভাবিক মাত্রা বা নরমাল পয়েন্ট সাধারণত TSH (থাইরয়েড স্টিমুলেটিং হরমোন) এর জন্য 0.4 থেকে 4.0 mIU/L এর মধ্যে থাকে। T3 এবং T4 হরমোনের স্বাভাবিক রেঞ্জও নির্দিষ্ট, যা শরীরের মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ।

  • TSH: 0.4 – 4.0 mIU/L (বয়স ও গর্ভাবস্থার ওপর নির্ভর করে সামান্য পরিবর্তন হতে পারে)
  • T3 (ট্রাইওডোথাইরোনিন): 100 – 200 ng/dL
  • T4 (থাইরক্সিন): 5.0 – 12.0 µg/dL
  • গর্ভবতী নারীদের জন্য TSH রেঞ্জ আলাদা, যেমন প্রথম ত্রৈমাসিকে 0.1 – 2.5 mIU/L।
  • এই মাত্রাগুলো সামগ্রিক সুস্থতার জন্য নির্দেশক, তাই ফলাফল বুঝতে ডাক্তার পরামর্শ জরুরি। 

তথ্যসূত্র:

থাইরয়েড হরমোন বেড়ে গেলে কি হয়

থাইরয়েড হরমোন বেড়ে গেলে শরীরে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়, যা হাইপারথাইরয়ডিজম নামে পরিচিত। এতে শরীরের মেটাবলিজম দ্রুত হয়ে যায় এবং অনেক শারীরিক ও মানসিক অসুবিধা হয়।

  • ওজন দ্রুত কমে যাওয়া
  • অতিরিক্ত ঘাম হওয়া ও গরম সহ্য করতে না পারা
  • হৃদস্পন্দন দ্রুত বা এলোমেলো হওয়া (বুক ধড়ফড় করা)
  • হাত কাঁপানো, অস্থিরতা, খিটখিটে মেজাজ
  • ঘুমের সমস্যা, উদ্বেগ ও মানসিক চাপ বৃদ্ধি
  • নারীদের মাসিক অনিয়ম বা বন্ধ হয়ে যাওয়া, বন্ধ্যাত্ব হতে পারে
  • শ্বাসকষ্ট অনুভব করা
  • মাংসপেশির দুর্বলতা ও দ্রুত হাড় ক্ষয় হওয়া
  • চোখের সমস্যা, যেমন চোখ ফুলে যাওয়া, পানি ঝরা

থাইরয়েড হরমোন বেড়ে গেলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি, কারণ এটি হৃদরোগসহ গুরুতর জটিলতা ডেকে আনতে পারে।

থাইরয়েড এর কোন পর্যায়ে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে

থাইরয়েড হলে কি কি সমস্যা হয়

থাইরয়েডের সমস্যা শুরুতেই ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত, বিশেষ করে যখন গলায় ফোলা, ওজন পরিবর্তন, ক্লান্তি, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া বা হঠাৎ মেজাজের পরিবর্তন দেখা দেয়। তাড়াতাড়ি চিকিৎসা না নিলে জটিলতা বাড়তে পারে।

  • গলায় ফোলা বা গলগণ্ড দেখা দিলে
  • হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া
  • অতিরিক্ত ক্লান্তি, দুর্বলতা বা ঘুমের সমস্যা
  • হৃদস্পন্দন দ্রুত হওয়া বা অস্বাভাবিকতা
  • মানসিক অবসাদ, উদ্বেগ বা চঞ্চলতা বেড়ে যাওয়া
  • মাসিক অনিয়ম বা বন্ধ হয়ে যাওয়া
  • গলায় ব্যথা বা গিলতে কষ্ট অনুভব হলে
  • থাইরয়েড টেস্টে অনিয়মিত ফলাফল পাওয়া গেলে
  • দীর্ঘদিন ধরে উপসর্গ থাকলে
  • শুরুতেই ডাক্তারের পরামর্শ নিলে থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।

তথ্যসূত্র:

ব্যক্তিগত মতামতঃ থাইরয়েড হলে কি কি সমস্যা হয়

থাইরয়েড হলে কি কি সমস্যা হয়, এটা আসলে এমন এক অভিজ্ঞতা যা শরীর আর মন দুটোকেই নাড়িয়ে দেয়। ভাবুন তো, কোনো কারণ ছাড়াই আপনার ওজন হঠাৎ বাড়ছে বা কমছে, সারাদিন রাজ্যের ক্লান্তি ভর করছে, আর মন-মেজাজটাও যেন নিজের নিয়ন্ত্রণে নেই।

চুল পড়া বা ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার মতো ছোট ছোট বিষয়গুলোও জীবনটাকে কঠিন করে তোলে। অনেক সময় গলায় ফোলাভাবও দেখা দেয়।  তবে সবচেয়ে জরুরি কথা হলো, এই সমস্যাগুলো নিয়ে একা লড়াই করার কোনো প্রয়োজন নেই। সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব এবং একটি স্বাভাবিক জীবন কাটানো যায়।

(FAQ)

থাইরয়েড হলে কি কি সমস্যা হয় বিষয়টি নিয়ে কিছু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হলো:

থাইরয়েড সমস্যা হলে কোন ডাক্তার দেখাতে হবে?

 থাইরয়েড কত থাকলে নরমাল হয়?

 থাইরয়েড হলে কি দাগ হয়?

পুরুষের থাইরয়েড হলে কি কি সমস্যা হয়?

Share this article
Shareable URL
Prev Post

অসুস্থতা বাড়ছেই? জানুন!ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি এর অভাবে কি হয়?

Next Post

হাড় হবে ইস্পাত! ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার তালিকা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Read next

গর্ভাবস্থায় কি কি সবজি খাওয়া যাবে না? ১০টি ঝুঁকিপূর্ণ সবজি যা এড়িয়ে চলবেন!

গর্ভাবস্থায় কি কি সবজি খাওয়া যাবে না এটি জানাটা প্রত্যেক মায়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কিছু সবজি আপনার…
গর্ভাবস্থায় কি কি সবজি খাওয়া যাবে না